'বিডি ফ্রি প্রেস' বাংলাদেশের প্রথম সংবাদ সংযোগকারী ব্লগ

মূলপাতা চট্টগ্রাম 

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের পিলারে ফাটল, যান চলাচল বন্ধ


বিডি ফ্রি প্রেস ডেস্ক প্রকাশের সময় :২৬ অক্টোবর, ২০২১ ৭:০৪ : পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের এম এ মান্নান ফ্লাইওভারে আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পের একটি পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে।  ফ্লাইওভারের ওয়াই জংশনে কালুরঘাটের দিকে নামার র‌্যাম্পের অংশের একটি পিলারে এ ফাটল দেখা দিয়েছে।

এ কারণে  দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার রাত ১০টা থেকে ফ্লাইওভারের আরাকান সড়কমুখী র‌্যাম্পে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিশ।  বাংলা

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি ফেসবুকের একটি পোস্টের মাধ্যমে জেনেছি। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফাটল দেখতে পাই। তাই নিরাপত্তার জন্য র‌্যাম্প দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি।’

তিনি জানান, মূল ফ্লাইওভারটি নগরের শুলকবহর থেকে বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত। সেদিকে কোনো সমস্যা না থাকায় ওই অংশে যান চলাচল করছে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারমুখী গাড়িগুলো এই ফ্লাইওভার ব্যবহার করেই চলাচল করছে।

এই ব্যাপারে জানতে ফ্লাইওভার নির্মাণকারী সংস্থা চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসকে ফোন করা হলে তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

এর আগে ‘প্রাণের চট্টগ্রাম’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে মুহাম্মদ মহিউদ্দীন নামে এক ব্যক্তি ফাটলের বিষয়টি জানিয়ে পোস্ট করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের একটি কলাম এ ফাটল দেখা যাচ্ছে। এই ফ্লাইওভার আগেও অনেক প্রাণের ইতি ঘটিয়েছে। এমনিতেই এই শহরে সাধারণ মানুষের জীবনের দাম কমে এসেছে। তাই বড় দুর্ঘটনা সংগঠিত হওয়ার আগে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

উল্লেখ্য, যানজট নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) নগরের শুলকবহর থেকে বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত এম এ মান্নান ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রায় দেড়শ কোটি টাকা ব্যয়ে এক দশমিক চার কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৪ মিটার প্রস্থ এই ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করা হয়। চার লেন বিশিষ্ট ফ্লাইওভারটির নাম রাখা হয় এম এ মান্নান ফ্লাইওভার। এরপর ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০০ মিটারের কালুরঘাটমুখী একটি র‌্যাম্প যুক্ত হয় ফ্লাইওভারে।

২০১২ সালের নভেম্বরে ফ্লাইওভারের গার্ডার ধসে ১৪ জন মারা যায়। নির্মাণকাজ শেষে ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


মতামত দিন

আরও খবর