'বিডি ফ্রি প্রেস' বাংলাদেশের প্রথম সংবাদ সংযোগকারী ব্লগ

মূলপাতা বাংলাদেশ

জুলহাস–তনয় হত্যা মামলায় ছয় জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড


প্রকাশের সময় :৩১ আগস্ট, ২০২১ ১২:৪৩ : অপরাহ্ণ

ছয় জঙ্গির মৃত্যুদণ্ডরাজধানীর কলাবাগানে সমকামীদের অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু মাহবুব তনয় হত্যা মামলায় রায় হয়েছে। এতে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। অব্যাহতি পেয়েছেন দুজন।

ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে আলোচিত এ মামলার রায় দেন।

যাদের ফাঁসির দণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া, আকরাম হোসেন, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আরাফাত রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ এবং আসাদুল্লাহ।

দণ্ডপ্রাপ্ত মেজর জিয়া ও আকরাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। বাকিরা গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।

যে দুইজন খালাস পেয়েছেন তারা হলেন সাব্বিরুল হক চৌধুরী এবং জুনাইদ আহমদ।

২০১৬ সালের ২৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় কলাবাগানের বাসায় ঢুকে দুর্বৃত্তরা জুলহাজ মান্নান (৩৫) ও তার বন্ধু মাহবুবকে কুপিয়ে হত্যা করে।

জুলহাজ ও মাহবুবকে হত্যা করে পালানোর সময় বাধা দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী পারভেজ মোল্লাকেও কোপায়।

রাস্তায় পালানোর সময় এক দুর্বৃত্তকে জাপটে ধরেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মমতাজউদ্দিন। তাঁকেও কুপিয়ে ওই দুর্বৃত্ত পালিয়ে যায়।

তবে এএসআই মমতাজ ওই দুর্বৃত্তদের একজনের কাছ থেকে একটি ব্যাগ রেখে দিতে সক্ষম হন। ওই ব্যাগে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মুঠোফোন পাওয়া যায়।

জুলহাজ সমকামীদের অধিকারবিষয়ক সাময়িকী রূপবান সম্পাদনা ও প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নাট্যকর্মী মাহবুব পিটিএ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ‘শিশু নাট্য প্রশিক্ষক’ হিসেবেও কাজ করতেন।

এ ঘটনায় হত্যা ও অস্ত্র আইনে কলাবাগান থানায় দুই মামলা করা হয়।

২০১৯ সালের ১২ মে মামলাটিতে চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

গত বছরের ১৯ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

গত ২৩ আগস্ট মামলাটিতে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে। এরপর বিচারক রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।


মতামত দিন

আরও খবর